বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ১০:১০ অপরাহ্ন

শরতের কাশফুলে অপরূপ শোভায় শোভিত যমুনেশ্বরী পাড়

  • প্রকাশিত : রবিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২২

রিপন শাহরিয়ার

প্রতিবেদকঃ মিঠাপুকুর, রংপুর

বাংলার ষড়ঋতুর তৃতীয় ঋতু।ঋতুর রানী শরৎ এলেই সবার আগে হৃদয়ে দোলা দেয় কাশফুল।
রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলায় মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া যমুনেশ্বরী নদীর পাড়ে কাশফুলের র‌ূপ-লাবণ্যে পূর্ণতা পেয়েছে। দুপাড়ের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিনই ছুটে আসছেন শত শত দর্শনার্থী। ছোট বড় সকলেই উপভোগ করছে এ অপরূপ সৌন্দর্যকে।

বর্ষার অবিরাম বর্ষনের পরে এসেছে স্নিগ্ধ শরৎ। শরৎ ঋতুর আগমন যত ঘনিয়ে আসে ততই বর্ষণ কমতে থাকে‌। আকাশের কালো মেঘ ধীরে ধীরে ধারণ করেছে সাদা রং। ক্রমে প্রসন্ন হাসিতে শরৎ আমাদের সামনে উপস্থিত হয়েছে। বর্ষণস্নাত, মেঘমুক্ত আকাশের সুনীল কান্তি র‌ূপ, আলো-ছায়ার লুকোচুরি, শিউলি ফুলের মন উদাস করা গন্ধ, নদীর তীরে কাশফুলের অপূর্ব সমারোহ;এই অপরূপ র‌‌ূপশ্রী নিয়ে ধরণীতে আগমন করেছে এক শারদ শোভা।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ তাঁর রচিত শরৎ কবিতায় বলেছেন,
” আজিকে তোমার মধুর মুরতি হেরিনু শারদ প্রভাতে, হে মাতঃ বঙ্গ শ্যামল অঙ্গ‍! ঝলিছে অমল শোভাতে”
কবি নির্মলেন্দু গুন কাশফুলের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে নিজের গ্রামের নাম রেখেছিলেন “কাশবন”।

দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব এলাকায় কাশফুল দেখা যায়। সাদা এই কাশফুলের মঞ্জুরি ১৫ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার হয়। ঘাসের জ্ঞাতি কাশ হয় ৩ মিটার লম্বা। এর মূল গুচ্ছ দেখতে ঘাসের মতোই। পাতা রুক্ষ ও সোজা রেখার ন্যায়, লম্বায় আধা থেকে এক মিটার, আর চ‌ওড়ায় ৬ থেকে ১৫ মিলিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

শুধু সৌন্দর্য নয় মাটি ধস রোধ, পানের বরজ, ঘরের চালা বাধা, সবজি বাগানের বেড়া,আখের অঙ্কুরোদগম ও কাগজের মন্ড তৈরিতেও ব্যবহার হয় কাশ।

সংবাদটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সম্পর্কিত সংবাদ
© ২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | রংপুর নিউজ ৩৬৫
ডিজাইন ও কারিগরী সহায়তায় আতিক